How fabricated opinion polls are being circulated ahead of elections
নির্বাচন সামনে রেখে জনমত জরিপের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অতীতে যেখানে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান খোলা হতো কিংবা বিদেশি পরামর্শক ভাড়া করে জাঁকজমকপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন করা হতো, এখন সেই জায়গা দখল করে নিচ্ছে এআই ও ভুয়া ফটোকার্ড।
গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দুইদিন আগে থেকে পরের দুই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় দুই মাসে (৫৫ দিন) অনলাইনে অন্তত ১২টি ভুয়া জরিপ চিহ্নিত করেছে দুটি ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার এবং ডিসমিসল্যাব।
১২টি ভুয়া জরিপের আটটিই ছিল এডিট করা ফটোকার্ড, দুটি জাতিসংঘের ভুয়া পরিচয়ে এবং বাকি দুটি এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভিডিও। জরিপগুলোর ছয়টিই ছিল আওয়ামী লীগের পক্ষে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতের পক্ষে দুটি করে চারটি এবং বিএনপির পক্ষে ও বিপক্ষে দুটি করে জরিপ প্রচার করা হয়েছে।
এই প্রচারণায় মূলধারার সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকে পুঁজি করার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়। একাধিক সংবাদমাধ্যম যেমন, আমার দেশ, কালবেলা, আর টিভি, রিউমর স্ক্যানারের ফটোকার্ড ব্যবহার করতে দেখা গেছে ভুয়া জরিপে। যেমন, সম্প্রতি ‘দৈনিক কালবেলা’র লোগো ও গ্রাফিক্স হুবহু নকল করে জাতিসংঘের বরাত দিয়ে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো হয়, যেখানে দাবি করা হয় জাতিসংঘ আওয়ামী লীগের নির্বাচনে ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক। অথচ কালবেলা কর্তৃপক্ষ বা জাতিসংঘ কেউই এমন তথ্য প্রকাশ করেনি বলে জানিয়েছে রিউমর স্ক্যানার।
আবার ‘ডিপফেক’ ভিডিওর ব্যবহার করা হয়েছে। সম্প্রতি ভয়েস অফ আমেরিকার লোগো ব্যবহার করে একটি ভিডিওতে দাবি করা হয় দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে পুনরায় ক্ষমতায় চায়। কিন্তু ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, এটি গুগলের এআই টুল ‘ভিও’ ব্যবহার করে তৈরি, যেখানে ‘ফোরটিন নিউজ’ নামের একটি অস্তিত্বহীন মিডিয়ার লোগোও রয়ে গেছে।
একইভাবে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির এআই জেনারেটেড ভিডিওতে জামায়াত ও বিএনপির আসন নিয়ে পূর্বাভাস দেওয়া হয়, জামায়াত ১৯০ ও বিএনপি ৪০টি আসন পাবে । ভিডিওটিতে থাকা পুলিশ সদস্যের নেমপ্লেট ও পেছনের লোগোতে ‘BANNNICH POLICE’ লেখা পাওয়া যায়। ফ্যাক্টচেকিং প্রতিবেদন বলছে, হাইভ মডারেশন টুলের বিশ্লেষণে ৯৮ শতাংশ এআই শনাক্তকরণ প্রমাণ করে যে, এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি।
আবার অন্য জরিপের ফলাফল বিকৃত করে প্রচারণাও দেখা গেছে। আরেকটি ফ্যাক্টচেকিং প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয় ৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ আওয়ামী লীগ। যাচাই করে দেখা যায়, এটি ভুয়া প্রচারণা। মূলত ‘এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট’ (ইএএসডি)-এর একটি সংবাদ সম্মেলনের আসল ছবি ব্যবহার করে ফটোশপের কারসাজিতে পুরো ফলাফলই উল্টে দেওয়া হয়।
ইএএসডি-র মূল জরিপে ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে সমর্থন করলেও, বিকৃত ছবিতে তা আওয়ামী লীগের পক্ষে ৬০ শতাংশ দেখানো হয়।
ভুয়া জরিপে যা ছড়ানো হচ্ছে | পক্ষে বিপক্ষে | ফ্যাক্টচেক | ছড়ানোর মাধ্যম |
জনমত জরিপে সবার চেয়ে এগিয়ে হাতপাখা | ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | আমার দেশ, আরটিভি ও একাত্তর টিভির নামে ফটোকার্ড |
বিএনপি ২৪০=২৫০ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে, জাতিসংঘের জরিপ | বিএনপির পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | জাতিসংঘ পরিচয় |
৭০ শতাংশ খাম্বা দখল | বিএনপি বিরুদ্ধে | রিউমর স্ক্যানার | রিউমর স্ক্যানারের নামে ফটোকার্ড |
জামায়াতের আমীর ডা. শফিক প্রধানমন্ত্রী হবে ৯৯ শতাংশ মানুষ মনে করে | জাামায়াতের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | আমার দেশের নামে ফটোকার্ড |
আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি মনে করে ৫৯.৮২ শতাংশ মানুষ | আওয়ামী লীগের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | ইন্টারন্যাশনাল ইলেকশন সার্ভে সেন্টার নামে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ফটোকার্ড |
বিএনপি ৪০ সিট, জামাত পাবে ১৯০ | জাামায়াতের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | এআই |
৭৫ ভাগ মানুষ আওয়ামীলীগকে চায়, ভয়েস অব আমেরিকার জরিপ | আওয়ামী লীগের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার, ডিসমিসল্যাব | ভয়েস অব আমেরিকা পরিচয় |
আওয়ামীলীগ না থাকলে ৬৫ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে না | আওয়ামী লীগের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | সময় টিভির নামে ফটোকার্ড |
দেশের ৪৫% মানুষ হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিতে চায় | ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে | রিউমর স্ক্যানার | আরটিভির নামে ফটোকার্ড |
৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ আওয়ামীলীগ, ২২ শতাংশ বিএনপি, ১৫ শতাংশ জামায়াত-এনসিপি জোট | আওয়ামীলীগের পক্ষে | ডিসমিসল্যাব | ফটোকার্ড |
জাতিসংঘ বলছে, জাতিসংঘ বলছে, জনগণ চাইলে আওয়ামী লীগ আবার নির্বাচনে ফিরতে পারে | আওয়ামীলীগের পক্ষে | ডিসমিসল্যাব | জাতিসংঘ পরিচয় |
৬৭ শতাংশ জনগণের মতে আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হলে সেটা হবে অবৈধ নির্বাচন | আওয়ামীলীগের পক্ষে | ডিসমিসল্যাব | ফটোকার্ড |
তফসিলের দুইদিন আগে থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভুয়া জরিপের তালিকা
অতীতের ভুয়া জরিপগুলো যেমন ছিল
অতীতে বিভিন্ন স্থানীয় এবং জাতীয় নির্বাচনে এবং পলাতক আওয়ামী লীগ সরকার এবং শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা এবং সততা নিয়ে অজস্র ভুয়া জরিপ প্রকাশিত হয়েছিল।
২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে ‘রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার’ (আরডিসি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান গুলশানের হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে জরিপ প্রকাশ করে, আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৪৮ আসনে জিতবে। ফরেস্ট ই কুকসন নামে ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ পরিচয়ে জরিপটি উপস্থাপন করেন। ৫১ নির্বাচনী এলাকা থেকে জরিপ করা হয় জানানো হলেও কোন এলাকা সেটি জানানো হয়নি।
পরে জানা যায়, নির্বাচনে আওয়ামীলীগের তৎকালীন প্রার্থী সালমান এফ রহমানের প্রতিষ্ঠান জরিপে অর্থায়ন করেছে। পরবর্তীতে সজীব ওয়াজেদ জয় ফেসবুক পোস্ট করে জানান, জরিপটি তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নামে একাধিক সার্চ করে জরিপটি বাদে অন্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
একইভাবে ২০১৭ সালে ‘পিপলস অ্যান্ড পলিটিক্স’ নামক একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানকে উদ্ধৃত করে পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে কাল্পনিক সততা ও জনপ্রিয়তার র্যাংকিং প্রচার করা হয়, শেখ হাসিনা বিশ্বের জনপ্রিয়, তৃতীয় সৎ প্রধানমন্ত্রী, চতুর্থ কর্মঠ ও সবচেয়ে মিতব্যয়ী প্রধানমন্ত্রী ইত্যাদি। যার কোনো বাস্তবিক ভিত্তি বা ওয়েব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
২০২০ সালে ‘রিসার্চ ইন্টারন্যাশনাল’ (আরআই) নামে প্রতিষ্ঠান জরিপে জানায়, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৮৬ ভাগ মানুষের আস্থা জানিয়েছে।’ জরিপে প্রশ্ন ছিল, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তাঁর ওপর আস্থা রাখতে বলেছেন, এ প্রশ্নের উত্তরে ৮৬ ভাগ মানুষ আস্থা জানিয়েছে। আওয়ামীলীগের অ্যাক্টিভিস্ট আবুল হাসনাত মিল্টন প্রেসক্লাবে জরিপটি তুলে ধরেন। জরিপ প্রকাশের আগে পরে প্রতিষ্ঠানটির কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি। জরিপে অন্যান্য দলের ব্যাপারে ফলাফল স্পষ্ট করা হয়নি।
২০২৩ সালে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইলেকশন মেন্যুভারিং আর্কিটেকচার (সিমা) প্রতিষ্ঠান জরিপ পরিচালনা করে জানায়, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী অন্তত এক লাখ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচনে জিতবে। গণমাধ্যমে ফলাও করে এটিকে ইউরোপীয় সংস্থার জরিপ হিসেবে প্রচার করে। পরে ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এটি ইউরোপীয় কোনো সংস্থা নয়। জরিপের নেপথ্যে ছিল মূলত দলীয় অ্যাক্টিভিস্ট বা পিআর এজেন্সির লোকজন।
একইভাবে গত ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে একটি জরিপ প্রকাশ করে। জকসু জরিপঃ ভিপি ও জিএস পদে এগিয়ে রাকিব ও খাদিজা শিরোনামের খবরে বলা হয়, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায় ভিপি পদে এগিয়ে আছেন 'ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান' প্যানেলের মোঃ রাকিব এবং জিএস পদে এগিয়ে আছেন একই প্যানেলের খাদিজাতুল কুবরা।"
তবে প্রতিবেদনে বলা নেই, জরিপটি কারা প্রকাশ করে এবং এর আগে জরিপকারী প্রতিষ্ঠানটি কী ধরণের জরিপ পরিচালনা করেছে। আরও খোঁজ করে দ্য রিপোর্ট লাইভ এ সংক্রান্ত একটি খবর পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে, জকসুতে ছাত্রদলকে এগিয়ে রাখা জরিপটি পরিচালনা করেছিল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংস্থা নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দ্য ডিসেন্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে এমন কোনো সংস্থার হদিস পায়নি।
পরবর্তীতে সেই জরিপকে ভুল প্রমাণ করে জকসুতে ভিপি-জিএসসহ ২১ পদের ১৬টিতে শিবির প্যানেলের জয় হয়।
ভুয়া জরিপ চিনবেন যেভাবে
আগামী নির্বাচনকে ঘিরে সত্য ও বিভ্রান্তিকর নানা জরিপ সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হতে পারে। ফলে জরিপ বিষয়ে কিছু ধারণা স্পষ্ট হওয়া জরুরি। তাই কিভাবে সঠিক জরিপ চিনবো, তার কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হল, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পিউ রিসার্চ সেন্টারের ব্লগের উপর ভিত্তি করে।
জরিপটি কে পরিচালনা করেছে এবং কে অর্থায়ন করেছে। অর্থায়ন থেকে সম্ভাব্য পক্ষপাত বা জরিপের উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত দিতে পারে।
জরিপে কাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এই বিষয়ে ধারণা থাকা জরুরী। যেমন, কোনো নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চল, নাকি বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর জরিপ করা হয়েছে কিনা।
জরিপটি কীভাবে পরিচালিত হয়েছে সেই বিষয়ে জানা জরুরি। টেলিফোন, ডাক, অনলাইন নাকি সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে? কেননা সরাসরি সাক্ষাৎকারের জরিপগুলো তুলনামূলক বেশি প্রণিধানযোগ্য।
অংশগ্রহণকারীদের কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে সেটিও বুঝা জরুরি। এলোমেলোভাবে (র্যান্ডম স্যাম্পল) নাকি স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে? কেননা, সাধারণত র্যান্ডম নমুনা বেশি নির্ভরযোগ্য।
জরিপটি কখন করা হয়েছে, সেটিও অনেক সময় মুখ্য হয়ে যায়। যেমন, নাটকীয় ঘটনার ঠিক পরের জরিপ অনেক সময় অতিরঞ্জিত হয়।
কতজন মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এই জরিপে, এটা দেখা জরুরি। কেননা, বড় নমুনা সাধারণত কাছাকাছি অবস্থা তুলে ধরতে পারে।
প্রশ্নগুলো নিরপেক্ষ ও জরিপ সুলভ কি না সম্ভব হলে সেটিও ঘেঁটে দেখুন। জরিপটিতে প্রশ্নের ভাষা কোনো নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করছে কি না এবং আগের প্রশ্ন পরের উত্তরে প্রভাব ফেলছে কি না তা খেয়াল করা জরুরি।
এর বাইরে জরিপের বিষয়ে আরও যা খেয়াল করা জরুরি। যেমন,
নামসর্বস্ব বা অপরিচিত প্রতিষ্ঠানের জরিপের তথ্য সন্দেহের চোখে দেখুন।
গণমাধ্যম বা আন্তর্জাতিক সংস্থার নামে প্রচারিত তথ্য তাদের ভেরিফায়েড ওয়েবসাইট/সোশ্যাল পেজে গিয়ে যাচাই করুন।
অতিরিক্ত একপেশে বা অবিশ্বাস্য জরিপ ফলাফল আবেগের বশে শেয়ার না করে একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে মিলিয়ে দেখুন।
মূল জরিপের ফটোকার্ডে সংখ্যা বদল বা বাড়তি তথ্য বসিয়ে বিকৃতি করা হয়েছে কি না যাচাই করুন।
এছাড়া ফেসবুকে বিভিন্ন জরিপ পরিচালনা করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বা ইনফোটেইনমেন্ট পেইজ। কিন্তু এই জরিপগুলো প্রকৃত জরিপের মানদণ্ডগুলো অনসুরণ করা হয় না। ফলে এই জরিপগুলোকে আমলে নিতে সচেতন হওয়া জরুরি।