Misleading Edited Clip Sparks Blasphemy Allegations Against Education Minister
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের একটি খণ্ডিত বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত করে বেহেশতে যাওয়া হবে নাকি, এ ভুয়া কথা শুনবেন না।”
তার এই খণ্ডিত বক্তব্য শেয়ার করে ফেসবুকে অনেকে তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনছেন।
ইবরাহিম মাহমুদ নামে একজন লিখেছেন, “আমাদের দেশের ইসলাম নিয়ে কটুক্তিকারীদের কখনো বিচার হয় নাই ও শাস্তি হয় নাই। এখন নতুন করে বাংলাদেশ দল বিএনপির শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন যেভাবে ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করিয়াছেন, উনার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত।”
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃত করে একাধিক পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
দ্য ডিসেন্ট-এর যাচাইয়ে দেখা যায়, শিক্ষামন্ত্রী ধর্ম অবমাননা করে এমন বক্তব্য দেননি।
রিভার্স ইমেজ সার্চে একই ভিডিও ৭ ফেব্রুয়ারি এহসানুল হক মিলনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রচার করতে দেখা যায়।
ভিডিওতে তাকে এক জনসভায় উপস্থিত নারীদের প্রশ্ন করতে দেখা যায়। তিনি নারীদের জিজ্ঞেস করেন, পাল্লায় (দাঁড়িপাল্লায়) ভোট দিলে বেহেশতের টিকিট পাইবেন, যাবেন? তখন উপস্থিত একাধিক নারী বলেন, না। তখন তিনি প্রশ্ন করেন, তাহলে কীভাবে যাবেন? তখন নারীরা বলেন, নামাজ-রোজা করে।
এরপর এহসানুল হক মিলন বলেন, নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত করে বেহেশতে যাওয়া হবে নাকি? এই ভুয়া কথা (দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে) শুনবেন না।
অর্থাৎ, এহসানুল হক মিলন নামাজ, রোজা, হজ, জাকাতের মাধ্যমে বেহেশতে যাওয়ার কথা বলেছেন এবং দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এমন প্রচারণাকে ভুয়া বলেছেন।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় জামায়াতে ইসলামীর একাধিক নেতাকে দাঁড়িপাল্লায় (জামায়াতের নির্বাচনি প্রতীক) ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে—এমন প্রচারণা করতে দেখা যায়।
একইভাবে বিএনপির কিছু ব্যক্তিকেও ধানের শীষে ভোট দিলে জান্নাত পাওয়া যাবে—এমন প্রচারণা করতে দেখা যায়।