Posts Falsely Claim Govt is Scrapping Primary and Secondary Stipends
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহসানুল হক মিলনের ছবিযুক্ত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, "সরকার প্রাইমারি ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বন্ধ করে দিচ্ছে।" দেখুন এখানে
দ্য ডিসেন্ট-এর যাচাইয়ে দেখা যায়, এই দাবির কোনো সত্যতা নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পোর্টাল ঘেঁটে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা বাতিলের বিষয়ে কোনো নোটিশ, পরিপত্র বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায়নি।
প্রকৃতপক্ষে, সরকার শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। মাউশি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং তাদের মাসিক বৃত্তির পরিমাণ দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া, দেশের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে শিক্ষামন্ত্রী সম্প্রতি শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানো এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন।
সবার জন্য সমান শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে এবং নারীর ক্ষমতায়নে দেশের প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে মহিলা কলেজ জাতীয়করণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি, গত ২৭শে এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দেন, নারী শিক্ষার প্রসারে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করা হবে।