কোস্টগার্ডের আয়োজনে দুই মিডিয়ার কথিত অনুসন্ধান: প্রতিবেদন খতিয়ে দেখছে নাগরিক প্রতিদিন

৩০ আগস্ট, ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলার মিরাজ শেখের গুমের ঘটনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর নিজেদের প্রতিবেদন খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে নাগরিক প্রতিদিন কর্তৃপক্ষ। 

গতকাল ২৯ আগস্ট শনিবার সংবাদমাধ্যমটির অনুসন্ধানী প্রোগ্রাম ‘দ্য ব্লুপ্রিন্ট’ এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ফটোকার্ডে বলা হয়, “মিরাজ শেখের নিখোঁজ” নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিচে লেখা ছিল, “নাগরিক প্রতিদিন কর্তৃপক্ষ”।

এর আগে গতকাল দ্য ডিসেন্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখানো হয়, নাগরিক প্রতিদিন ও এখন টিভির দুটি টিম মিরাজ শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গুমের জন্য অভিযুক্ত কোস্টগার্ডের ব্যবস্থাপনায় বাগেরহাটে গিয়ে ওই ঘটনায় কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে।

দ্য ডিসেন্ট বিভিন্ন ছবি, ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং একাধিক সূত্রের বরাতে দেখিয়েছে দুটি সংবাদমাধ্যমের টিম একসঙ্গে ঢাকা থেকে কোস্টগার্ডের আয়োজনে বাগেরহাটে গিয়ে একসাথে হোটেলে অবস্থান করে, কোস্টগার্ডের নৌযান ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে হুবহু একইরকম বক্তব্য তুলে ধরে এবং কিছু ক্ষেত্রে একই ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

নাগরিক প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বক্তব্য

এ বিষয়ে নাগরিক প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান টিটোর সঙ্গে আজ রোববার কথা বলেছে দ্য ডিসেন্ট।

মিরাজ শেখের গুমের ঘটনায় প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিবেদন খতিয়ে দেখার বিষয়ে জানতে চাইলে টিটো বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটা একটা অনগোয়িং প্রসেস।”

কীভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কিভাবে দেখছি সেটা আমি আপনাকে বলবো না। তবে আমরা বিষয়টা নীতিগত জায়গা থেকে খতিয়ে দেখছি।”

তিনি বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর কোনো বিচ্যুতি পাওয়া গেলে জানাব।”

সিটি গ্রুপের শম্পা রহমানের বক্তব্য

এখন টিভির মালিক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের পরিচালক শম্পা রহমানের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল গুমের মতো স্পর্শকাতর অভিযোগে অভিযুক্ত বাহিনীর আয়োজনে প্রতিবেদন তৈরি ও প্রকাশের বিষয়টি কীভাবে দেখছেন তা জানতে।

তিনি বলেন, “গুমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা সংক্রান্ত কোন রিপোর্টের ব্যাপারে আমার জানা নেই।”

সংশ্লিষ্ট রিপোর্টের প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়ে ফোন কেটে দেন তিনি।

এ ব্যাপারে কথা বলতে এখন টিভির সম্পাদকীয় প্রধান তুষার আবদুল্লাহকে কল করলে তাকে পাওয়া যায়নি।