ইসলামপন্থীরা ছাত্রদের চুল কেটে দিচ্ছে দাবিতে প্রতীকী প্রতিবাদের দৃশ্য প্রচার
ভারত থেকে পরিচালিত একাধিক এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়েছে, পশ্চিমা ধাঁচের পোশাক পরায় এবং দাড়ি না রাখায় বাংলাদেশের ইসলামপন্থীরা ছাত্রদের চুল কেটে দিচ্ছেন।
যাচাই করে দেখা যায়, এই দাবি সত্য নয়।
মূলত, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার হালিম উদ্দিন আকন্দকে জোর করে চুল কেটে দেওয়ার একটি ভিডিও সেপ্টেম্বর মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় তিনি হালিম ফকির নামে পরিচিত। তাঁকে জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়ায় ঘটনায় সারা দেশে সমালোচনা এবং প্রতিবাদের জন্ম দেয়।
এই গঠনার প্রতিবাদ জানাতেই ময়মনসিংহের সংস্কৃতিকর্মীরা ২৬ সেপ্টেম্বর নগরের শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এক অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়োজকের চুল কেটে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদ জানাতে অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়োজক কবি শামীম আশরাফের চুল কেটে দেওয়া হয়। তিনি ‘পরম্পরা’ সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি।
দেখুন এখানে।
অর্থাৎ, দাড়ি এবং পশ্চিমা পোশাক না পরায় ছাত্রদের চুল কেটে দেওয়া হচ্ছে দাবিতে যে ছবি ছড়ানো হচ্ছে সেটি সত্য নয়।
ডিজিটাল অনুসন্ধানী গণমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট ইউটিউব ও ফেসবুক মিলিয়ে ১৭টি ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেল শনাক্ত করেছে যারা রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা ভবঘুরে ধরনের মানুষদেরকে ধরে জোরপূর্বক চুল-দাঁড়ি কেটে দেয়ার বা গোসল করার ভিডিও আপলোড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অর্থ উপার্জন করেন।
দেখুন এখানে।