Car Used by Sadiq Kayem for Long March Belongs to His Father-in-Law, Not an AL Leade
১৯ অক্টোবর আট দফা দাবিতে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের লংমার্চে অংশ নেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। লংমার্চ চলাকালে তাকে ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৩-০৬৫৬ নম্বরের একটি টয়োটা জিপে দেখা যায়।
এর পর গাড়িটির মালিকানা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। বিএনপিপন্থী বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়, গাড়িটির মালিক নজরুল ইসলাম মানিক নামে একজন আওয়ামী লীগ নেতা।
সোহেল শফিক নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন, “ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৩-০৬৫৬—এই নম্বরটি বিআরটিএর তথ্যমতে গাড়ির মালিক নজরুল ইসলাম মানিক। এই গাড়িটিই দেখা গেছে সাদিক কায়েমের লংমার্চের গাড়িবহরে। ৫ আগস্টের পরে জামায়াতের সাতকানিয়া উপজেলার দুই নেতা নিজামউদ্দিন ও ছালেকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম মানিকের ইটভাটা ও বনভূমি দখলসহ প্রায় শতকোটি টাকার সম্পদ লুটের অভিযোগ ওঠে। এর মাসখানেক পরে জামায়াতের ওই দুই নেতাকে হত্যা করা হয়। তার অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম মানিকের বিরুদ্ধে।”
একই দাবি ছড়ানো কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে।
তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
লংমার্চে সাদিক কায়েমের ব্যবহৃত টয়োটা জিপটির নিবন্ধন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৩-০৬৫৬। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, গাড়িটি নজরুল ইসলাম মানিকের নামে নয়; আইয়ুব আলী ফরায়েজীর নামে নিবন্ধিত। দ্য ডিসেন্টের হাতে থাকা সংশ্লিষ্ট নথিতেও একই গাড়ির নম্বরের সঙ্গে আইয়ুব আলী ফরায়েজীর নাম পাওয়া গেছে।

আইয়ুব আলী ফরায়েজী সাদিক কায়েমের শ্বশুর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ব্যবসায়ী বিভাগের সভাপতি এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী।
বিষয়টি সম্পর্কে সাদিক কায়েম দ্য ডিসেন্টকে বলেন, “আমি আওয়ামী লীগ নেতার গাড়ি ব্যবহার করেছি—এই দাবি সত্য নয়। আমার ব্যবহৃত গাড়িটি আমার শ্বশুরের।”