Inability to Grasp Satire and 'Bangladesh Hit Party'

The Dissent Desk
By
The Dissent Desk
18 October 2025

গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে ব্যাপক শোরগোল হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এর পক্ষে-বিপক্ষে নানানজন নানান কিছু লিখেছেন। গতকাল স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুরুর আগে 'বাংলাদেশ হিট দল' নামের একটি দলকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে-- এমন একটি দাবি কথিত আমন্ত্রণপত্রের ছবিসহ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়েও আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়। এই অচেনা দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরব হন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, এক্টিভিস্ট, সমালোচক এমনকি সাংবাদিকরাও। এই কথিত আমন্ত্রণপত্র নিয়ে পোস্ট দেয়া হয় আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকেও। তবে পুুরো বিতর্কটি তৈরি হয়েছে মূলত ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে; আরও নির্দিষ্ট করে বললে-- একটি স্যাটায়ারধর্মী পোস্ট থেকে। বাস্তবে 'বাংলাদেশ হিট দল' নামের একটি রাজনৈতিক দল থাকলেও দলটিকে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করা হয়নি। ভুল তথ্যটির সূত্রপাত হয় হিট দলের সভাপতি মামুনুর রশিদ খানের কৌতুক করে দেয়া একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। কিভাবে একটি স্যাটায়ারধর্মী ফেসবুক পোস্ট অনেকে না বুঝে উঠতে পারার কারণে একটি রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হলো এবং 'বাংলাদেশ হিট দল' আসলে কেমন দল? এটির জন্ম কীভাবে এবং কীভাবে এটির নেতার্মীরা কাজ করে থাকেন সে সম্পর্কে এই মতামত নিবন্ধটি দ্য ডিসেন্ট’র জন্য লিখেছেন দলটির কেন্দ্রী সভাপতি মামুনুর রশিদ খান:



সারাদেশ তোলপাড় হয়ে গেলো ’বাংলাদেশ হিট দল’ জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এই খবরে। মজার এই ঘটনাটির পেছনের কাহিনীটা বলি। গতকাল সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ফেসবুকে ঢুকে দেখি ’আপ বাংলাদেশ’-এর নেতা রাফে সালমান রিফাত 'জুলাই সনদ' স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের একটি আমন্ত্রণপত্রের ছবি পোস্ট করেছে। শুক্রবার, তাই অফিস নেই। ভাবলাম একটু দুষ্টুমি করা যাক। রাফে সালমানের পোস্ট থেকে ছবিটা ডাউনলোড করে এডিট করে আমার নাম এবং ’বাংলাদেশ হিট দল’-এ আমার পদবী বসিয়ে দিলাম।

বিষয়টা সাধারণ আক্কেলওয়ালা যে কেউ যেন বুঝতে পারে সেজন্য আমন্ত্রণপত্রের সিরিয়াল নাম্বার দিলাম ’২৪২০’, মানে ডাবল ফোরটুয়েন্টি! এবং খেয়াল করলে বুঝার কথা, ফেসবুকে বিভিন্নজন কর্তৃক পোস্ট করা আমন্ত্রণপত্রগুলোর থেকে আমারটার লেখার ফন্ট ভিন্ন। এর বাইরে সিরিয়াল নাম্বার এবং এড্রেসের ফন্ট সাইজও এক না। অনলাইনে যেকোন জিনিসের অথেন্টিসিটি ধরার জন্য এই সাধারণ জিনিসগুলো একটু খেয়াল করলেই হয়। এর বাইরে তো সরকারের প্রেস রিলিজ বা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার খবর তো আছেই। প্রকৃতপক্ষে কয়টা দল বা কোন দলগুলো জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে (যেমন প্রথম আলো খবর প্রকাশ করেছে ২৪টি দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে) এবং কারা আমন্ত্রণ পেয়েছে এসব তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। ফলে, আমি নিশ্চিত ছিলাম আমরা এই এডিটি করা ছবিটি মজার ছলেই সবাই নেবে।

অথচ বিস্ময়ের সাথে খেয়াল করলাম, আমার মোবাইলে অত্যন্ত আনাড়িপনার সাথে এডিট করা ছবিটিকে সত্য ধরে নিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা, এনসিপির কয়েকজন নেতা, বেশ কয়েকজন সাংবাদিক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানিসহ আরওে অনেকে। এবং রাতে আরও বিস্ময়ের সাথে খেয়াল করলাম পতিত আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজেও হিট দলের জুলাই সনদে স্বাক্ষরের ভুয়া খবরটি সত্য হিসেবে ধরে নিয়ে প্রচার করেছে।

আওয়ামী লীগের ভেরিফাযেড ফেসবুক পেইজ থেকে পোস্ট করা হয় এডিট করা ছবিটি

আওয়ামী লীগের ভেরিফাযেড ফেসবুক পেইজ থেকে পোস্ট করা হয় এডিট করা ছবিটি | ফেসবুক

আচ্ছা তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম, ওনারা এডিটটা বুঝতে পারেনি। কিন্তু জুলাই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের দাওয়াতের ছবি দিয়ে সবাই কীভাবে নিশ্চিত হলো, হিট দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে? দাওয়াত পাওয়া পেলেই কি সবাই গিয়েছে অনুষ্ঠানে? দাওয়াত পাওয়া অনেকেই তো সনদে স্বাক্ষর করেনি৷ যেমন, গণফোরাম। এনসিপিও তো দাওয়াত পেয়েছে। যদিও তারা না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

'সাধারণ মানুষরা' এই বিভ্রান্তিতে পড়লে মানতাম, আমজনতার এমন হতেই পারে৷ কিন্তু যাদের এই ছবিটি নিয়ে ঘোল খেতে দেখলাম তাদের কেউ তো সেই অর্থে সাধারণ না, এরা সবাই 'অসাধারণ'! দেশের অসাধারণদের সাধারণ জ্ঞানের এমন অভাব হলে, সাধারণদের সাধারণ জ্ঞানের অভাব নিয়ে আমরা যে হতাশ হই সেটাই তো দেখছি হতাশার ব্যাপার। 

আমি উল্লেখযোগ্য যাদেরকে হিট দলের জুলাই সনদে স্বাক্ষরের খবর প্রচার করতে দেখেছি- বাগছাস নেত্রী আশরেফা খাতুন, এনসিপি নেতা মুনতাসির মাহমুদ,  সাংবাদিক কেফায়েত শাকিল, বাংলাভিশনের সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার সোহেল হোসাইন, লেখক, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ওয়াজেদ মহান, এক্টিভিস্ট মোকাররম হোসাইন, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, প্রবাসী সাংবাদিক নাজমুস সাকিব ও আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড পেইজ। জাতি হিসেবে ইনফরমেশন লিটারেসি, ডিজিটাল লিটারেসি এসব বিষয়ে আমরা কতটা পিছিয়ে আছি ছোট্ট এই ঘটনাটি থেকে তা আন্দাজ করা যায়। ডিজিটাল যুগে অনলাইনে কোনটা স্যাটায়ার পোস্ট তা চেনা এবং একাধিক স্পষ্ট ইঙ্গিত থাকা একটি এডিটেড ছবিকে চিনতে পারা-- এগুলো ডিজিটাল লিটারেসির আওতায় পড়ে।

ভুল তথ্যকে সঠিক মনে করে মন্তব্য করেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম রাব্বানী

ভুল তথ্যকে সঠিক মনে করে মন্তব্য করেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম রাব্বানী | ফেসবুক

এদিকে আমন্ত্রণপত্রটি এডিট করা বা ভুয়া এটি বলতে গিয়ে অনেকে আবার ’বাংলাদেশ হিট দল’-কেও ভুয়া সংগঠন বা ‘আদৌ এমন কোন দলের অস্তিত্ব নেই’-- এমন দাবিও করেছেন; যা আসলে সত্য নয়। এ ক্ষেত্রে ভুল বুঝাবুঝি হচ্ছে।

বাস্তবতা হলো এটি সত্যিকারের একটি রাজনৈতিক দল। 'ঐক্য, সমতা, সমৃদ্ধির' স্লোগান সামনে রেখে ২০১৪ সালের ৯ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ হিট দলের পথচলা শুরু। আমরা নিজেদের পরিচয় দেই- দেশের সর্বপ্রথম অনলাইনভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা আমি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ খান বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি ২ বছর পর পর দলীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দলটির সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ হয়। বাংলাদেশ হিট দল একেবারে অপরিচিত কোন দল নয়।

ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন লড়াই সংগ্রামে এবং চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ হিট দলের সদস্যরা সাধ্যানুযায়ী ভূমিকা রেখেছে। আমি দলটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও আওয়ামিলীগের শাসনকালে যেহেতু ফ্যাসিবাদবিরোধী এক্টিভিজম করতাম তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে নিজের ছবি প্রকাশ করতাম না। 

হিট দলের আইডিয়াটি হলো, ইন্টারনেটের যুগে রাজনীতি করার জন্য প্রথাগত রাজনৈতিক সংগঠন বাধ্যতামূলক নয়। সংগঠিত হওয়া এবং জনমত গঠনের কাজ অনলাইনেও করা যায়। তাই বাংলাদেশ হিট দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম মূলত অনলাইনকেন্দ্রিক, তবে প্রয়োজনে আমরা মাঠের কাজও করি।

সীমান্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচীতে এনসিপি নেতা নাসির উদ্দিনের সাথে দেখা যাচ্ছে হিট দলের নেতৃত্বকে

সীমান্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচীতে এনসিপি নেতা নাসির উদ্দিনের সাথে দেখা যাচ্ছে হিট দলের নেতৃত্বকে | ফেসবুক

বাংলাদেশ হিট দল যেভাবে শুরু হয়

২০১২ সাল থেকেই আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের বেফাঁস কথাবার্তা, নানান দুর্নীতি এগুলার বিরুদ্ধে ফেসবুকে টুকটাক লেখালেখি করতাম। একদিন এলাকার এক বড়ভাই খেলার মাঠে বিষয়টা নিয়ে আমাকে 'সতর্ক' করলো, এভাবে লীগের বিরুদ্ধে কথা বললে বিপদ হবে। 

আমি লেখালেখি বন্ধ করে দিলাম। কিন্তু এরপরেও একের পর এক দেশে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটতেই থাকলো। 

পরে সেই একাউন্ট বন্ধ করে দিয়ে একটা নতুন একাউন্ট খুললাম। খুব বিশ্বস্ত কয়েকজন বন্ধু ছাড়া আর কাউকে লিস্টে নিলাম না। বিভিন্ন পেইজের কমেন্টে যারা লীগের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতো তাদের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতাম। নিরাপত্তার খাতিরে নিজের আসল নাম এবং ছবিও প্রকাশ থেকে বিরত থাকলাম। 

আমি আমার নতুন একাউন্টের নাম দিলাম, 'হিটলার ভাই'! 

এই নামে লেখালেখি করে সেসময় মোটামুটি পরিচিত পেলাম। আমি লীগের সমালোচনা করলেও সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত ছিলাম না, এবং রাজনৈতিক লেখালেখি করতে গিয়ে লীগবিরোধী দলসমূহের রাজনীতি অনুসরণ করেও আমার খুব একটা ভালো লাগলো না। তখন ভাবতাম, এদের রাজনীতি তো আমার পছন্দ না। তার চেয়ে নিজেই একটা দল খুলে ফেলিনা কেন? আমি যখন এই ভাবনাটা ভাবছি তখন আমার বয়স কুড়িও হয়নি। সত্যি কথা বলতে একটা রাজনৈতিক দল খোলার জন্য কী কী লাগে সে ধারণাও আমার ছিলোনা। 

যেহেতু  আমি নির্দলীয় লীগবিরোধী এক্টিভিস্ট ছিলাম, আমার সাথে আমার মতো আরো কিছু মানুষের সখ্য গড়ে উঠলো। এরাও কোন দলের সাথে সম্পৃক্ত না কিন্তু লীগকে অপছন্দ করে৷ তাদের সাথে নতুন দলের কথা বলতাম, তারাও একমত হতো। এখন নাম কী হবে? কাজ কী হবে? এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে একসময় ভাবলাম- দলের নাম ‘হিট দল’ই দিয়ে দেই। নামটা একটু চটকদার এবং প্রথম শুনলে রাজনৈতিক দলের নাম হিসেবে কিছুটা হাসির উদ্রেক ঘটায়। কিন্তু সেসময় আমরা ভাবলাম- রাজনৈতিক দলের  সুন্দর নামের চেয়ে কাজ সুন্দর হওয়াটা বেশি জরুরি। আমরা দলের নাম হিট মানে- সফল বুঝানো হচ্ছে নির্ধারণ করলাম।

এভাবে প্রাথমিক আলাপ আলোচনা শেষে ২০১৪ সালের ৯ অক্টোবর আমি ফেসবুকে ঘোষণা দিলাম আমরা হিট দল নামে একটা দল চালু করতে যাচ্ছি। যারা আগ্রহী তারা মন্তব্য করুন। বেশ কিছু মন্তব্য আসলো। এরমধ্যে বেশিরভাগ ছিল মজা করে আগ্রহ দেখানো। যারা বিভিন্ন দলের সাথে যুক্ত ছিল তাদের বাদ দিয়ে যারা নির্দলীয় তাদের নিয়ে একটা সিক্রেট গ্রুপ খুললাম ফেসবুকে। 

একদম প্রাথমিক উদ্যোগে আমার সাথে চট্টগ্রামের শিহাব, মুন্সিগঞ্জের জোবায়ের, চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী নাশিতা নওশীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিবুল বাশার রুম্মান এরা একনিষ্ঠভাবে কাজ করলো। দলের কাজের ধরণ কী হবে- এটা নিয়ে আমরা আলাপ করে নির্ধারণ করলাম আমরা হবো অনলাইন বেইজড পলিটিক্যাল পার্টি। বিশ্বে এমন উদ্যোগ আর আছে কিনা জানা নাই। তবে বাংলাদেশে এই আইডিয়া নিয়ে আমরাই প্রথম।

তখন আমাদের ভাবনা ছিলো-  ইন্টারনেট ভিত্তিক যোগাযোগের অগ্রসরতার কারণে রাজনৈতিক দলের যেসব কাজ তার প্রায় সবই অনলাইনে করা যায়। সংগঠিত হওয়া, জনমত গঠন ইত্যাদি। প্রাথমিক উদ্যোগে আমাদের সদস্য সংখ্যা চল্লিশজন মতো ছিল। পরবর্তীতে আমরা আগ্রহীদের 'ইন্টারভিউর' মাধ্যমে দলের সাথে সংযুক্ত করি। বর্তমানে আমাদের ১২০ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি আছে। আমাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি ২ বছর অন্তর গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্ধারণ হয়। ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সংযুক্ত। ফেসবুক পেইজে বিভিন্ন ইস্যুতে হিট দলের অবস্থান এবং ভাবনা আমরা সকলের জন্য প্রকাশ করি। 

বাংলাদেশ হিট দলের অর্ধযুগ পূর্তি উদযাপন করছেন নেতাকর্মীরা

বাংলাদেশ হিট দলের অর্ধযুগ পূর্তি উদযাপন করছেন নেতাকর্মীরা

যেহেতু দেশের আইনে অনলাইনভিত্তিক দলের নিবন্ধনের কোন সুযোগ নাই, তাই আমরা নিজেদের রাজনীতি অফলাইনে বিস্তৃত করার ব্যাপারে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছি। এবং আমরা আশাবাদী যেহেতু আমরা গত ১১ বছর ধরে অল্প অল্প করে প্রস্তুতি নিয়েছি, অনেক কিছু শিখেছি তাই মাঠের রাজনীতিতেও আমরা শীঘ্রই গুছিয়ে নিতে পারবো।


লেখক: সভাপতি, বাংলাদেশ হিট দল