False Claim Links Idol Smashing to Quran Research Instead of Christian Conversion

Azaharul Islam
By
Azaharul Islam
31 October 2026

ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, “চীনের এক ব্যক্তি কোরআন রিসার্চ করার পর তার ঘরের সমস্ত মূর্তি ভেঙে ফেলেন।”

দেখুন এখানে, এখানে, এখানে, এখানে ও এখানে।

দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, এই দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, দীর্ঘদিন ধরে শামানবাদ আধ্যাত্মিক চর্চা করা এক ব্যক্তির খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের পর উপসনালয় ভাঙচুরের দৃশ্য এটি। এছাড়া ভিডিওটি চীনের নয়। বরং ২০২৪ সালের মার্চে দক্ষিণ কোরিয়ায় ধারণ করা।

ভিডিওটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পরিচালিত একটি ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৪ সালের ২০ মার্চে প্রকাশিত একটি দীর্ঘ ভিডিও খুঁজে পাওয়া গেছে।

এর ক্যাপশনে লেখা ছিল, “১৯ মার্চ, ২০২৪– চেওনান ইনস্টিটিউট ফর স্পিরিচুয়াল ইস্যুজ (পরিচালক: চেওনান মিয়ংমুন চার্চ অব ক্রাইস্টের জ্যেষ্ঠ যাজক) – ২০ বছর ধরে শামান হিসেবে জীবনযাপন করা তাইহোয়াদাং শামান যিশুকে খ্রিষ্ট হিসেবে গ্রহণ করার পর তার উপাসনালয় ধ্বংস করেছেন। এ কাজে অংশ নেন শামানিক মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা।”  [কোরিয়ান ভাষা থেকে অনুদিত]

ইউটিউবে প্রকাশিত এই ভিডিওটি পরের দিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২০ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার চেওনান শহরের মিয়ংমুন চার্চ অব ক্রাইস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

ওয়েবসাইটে ক্যাপশন ছিল, “২০২৪ সালের ১৯ মার্চ, চেওনান মিয়ংমুন চার্চ গ্রুপের অনুসারীরা ২০ বছর ধরে শামানিজম চর্চা করা মেহওয়াদাং নামের এক শামানের উপাসনালয় ধ্বংস করেন। যিশু খ্রিষ্টকে ত্রাণকর্তা হিসেবে গ্রহণ করার পর তিনি তার শামানিক বিশ্বাস ও চর্চা ত্যাগ করেন।” [কোরিয়ান ভাষা থেকে অনুদিত]

এ ছাড়া, ভারতীয় ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান সাউথ চেক ও নিউজচেকারও এ ঘটনা নিয়ে পৃথক ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনেও ভাইরাল দাবিটিকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।