Nearly Half of Those Killed in July Uprising Were Shot in the Chest
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশের সম্পৃক্ততা উল্লেখ করা হয়েছে—এমন ২৫৩টি মৃত্যুর ঘটনা বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিহতদের প্রায় ৪৭ শতাংশের বুকে এবং ২৯ শতাংশের মাথায় গুলি লেগেছিল।
গবেষকদের মতে, শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অংশে গুলি লাগার এই প্রবণতা শুধু বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং এটি প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ এবং জীবন রক্ষার আন্তর্জাতিক নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
“Use of Lethal Weapons to Kill Protesters by Bangladesh Police: A Discussion Analyzing 253 Deaths of July 24 Revolution” শীর্ষক গবেষণাটি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে Dialogues in Health জার্নালে প্রকাশিত হয়।
চীনের নানজিং ইউনিভার্সিটির স্কুল অব দ্য এনভায়রনমেন্টের পিএইচডি গবেষক মো. আবু বকর সিদ্দিক, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসির গবেষক মো. খালিদ সাইফুল্লাহ, মালয়েশিয়ার আলবুখারি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সামাজিক উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মুযযাম্মিল হুসেন এবং তুরস্কের আঙ্কারা ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম যৌথভাবে এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন।
গবেষণায় প্রাণহানির ধরন, নিহতদের বয়স, শরীরের কোন অংশে আঘাত লেগেছিল, কোথায় গুলি করা হয়েছিল এবং কোন বিভাগে কত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এসব তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভকে নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে উপস্থাপন এবং রাষ্ট্রীয় সহিংসতার তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন গবেষকেরা।
সবচেয়ে বেশি গুলি লেগেছে বুক ও মাথায়
গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ২৫৩টি মৃত্যুর মধ্যে ১১৮ জন বা ৪৬ দশমিক ৬৪ শতাংশের বুকে এবং ৭৪ জন বা ২৯ দশমিক ২৫ শতাংশের মাথায় গুলি বা আঘাত লাগার তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া ৩৮ জন বা ১৫ দশমিক ০২ শতাংশের শরীরজুড়ে পেলেটের আঘাত এবং ২৩ জন বা ৯ দশমিক ০৯ শতাংশের শরীরের অন্যান্য অংশে আঘাতের তথ্য পাওয়া যায়।

গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুক ও মাথার মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে আঘাতের এই উচ্চ হার বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ বা ছত্রভঙ্গ করার উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলানো কঠিন। তাদের মতে, এই ধরনটি ন্যূনতম শক্তি প্রয়োগ, প্রয়োজনীয়তা, আনুপাতিকতা এবং জীবন রক্ষার আন্তর্জাতিক নীতির সম্ভাব্য লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দেয়।
গবেষণাপত্রের আলোচনায় আরও বলা হয়েছে, বুক ও মাথায় গুলি লাগার প্রবণতা বিক্ষোভকারীদের অক্ষম করা বা সরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছিল কি না, সে প্রশ্ন সামনে আনে।
তবে এটি গবেষকদের তথ্যভিত্তিক ব্যাখ্যা; প্রতিটি ঘটনায় গুলির উদ্দেশ্য আলাদাভাবে তদন্ত করে নির্ধারণ করা হয়নি।
৭৯ শতাংশের মৃত্যু প্রাণঘাতী গুলিতে
মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯ জন বা ৭৮ দশমিক ৬৬ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে প্রাণঘাতী গুলির আঘাতে।
এছাড়া পেলেট বা রাবার বুলেটের আঘাতে ৩৪ জন বা ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ, শারীরিক নির্যাতনের কারণে আটজন বা ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং ধাওয়া খেয়ে বা পানিতে ডুবে ১২ জন বা ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ মারা যান।
নিহতদের মধ্যে ১৯৬ জন বা ৭৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৫৭ জন বা ২২ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

গবেষকদের মতে, ঘটনাস্থলেই এত বেশি মানুষের মৃত্যু আঘাতগুলোর তীব্রতা এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাত্রা নির্দেশ করে। গবেষণায় প্রাণঘাতী গুলির ওপর ব্যাপক নির্ভরতাকে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত উদ্দেশ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল আসন্ন প্রাণহানির হুমকি মোকাবিলায় এবং অন্য সব উপায় ব্যর্থ হলে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষকদের মতে, বিশ্লেষণ করা ঘটনাগুলোতে এই নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
নিহতদের অধিকাংশ তরুণ
গবেষণা অনুযায়ী, নিহতদের ৫৮ দশমিক ১ শতাংশের বয়স ছিল ১৮ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। এই বয়সসীমার তরুণদের অংশগ্রহণই ছিল সবচেয়ে বেশি।
এছাড়া নিহতদের ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ শিশু ও কিশোর, ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশের বয়স ৩০ থেকে ৩৯ বছর এবং ৬ দশমিক ৭২ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের বেশি বলে গবেষণার ফলাফলে উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষকেরা তরুণদের এই উচ্চ মৃত্যুহারকে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র ও যুবসমাজের কেন্দ্রীয় ভূমিকার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করছেন। তাদের ব্যাখ্যায়, বিক্ষোভ সংগঠিত ও পরিচালনায় তরুণেরা সামনের সারিতে থাকায় প্রাণঘাতী সহিংসতারও প্রধান শিকার হয়েছেন।
তবে শিশু-কিশোরদের মৃত্যুর হারকে গবেষকেরা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, নিহত শিশু-কিশোরদের কেউ কেউ বাড়ির ভেতরে বা আবাসিক এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ফলে তাদের সবাই সরাসরি বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী ছিল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না; তাদের মধ্যে পথচারী বা অনিচ্ছাকৃতভাবে সহিংসতার মধ্যে পড়ে যাওয়া ব্যক্তিও থাকতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, ১৯২ জন বা ৭৫ দশমিক ৮৯ শতাংশকে বিক্ষোভস্থলে গুলি করা হয়।
কিন্তু প্রাণঘাতী সহিংসতা শুধু বিক্ষোভস্থলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ৪৪ জন বা ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ নিজ বাড়ির ভেতরে অথবা বাড়ির সামনে গুলিবিদ্ধ হন। অন্য স্থানে গুলিবিদ্ধ হন ১৭ জন বা ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঢাকায়
ভৌগোলিকভাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। গবেষণায় বিশ্লেষিত মৃত্যুর ৩৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ ঢাকায় ঘটেছে।
এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ—১৭ শতাংশ, বরিশাল—১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, রাজশাহী—১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ, খুলনা—৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ, রংপুর—৬ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ—৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ করে।
ঢাকায় মৃত্যুর হার বেশি হওয়ার পেছনে রাজধানীতে বিক্ষোভের তীব্রতা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রীভবনের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের বেশি উপস্থিতিও ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষকেরা মনে করছেন।
অর্থাৎ, ঢাকায় ঘটনা বেশি ঘটেছে—এর পাশাপাশি ঢাকার ঘটনাগুলো অন্য এলাকার তুলনায় বেশি সংবাদমাধ্যমে এসেছে বলেও ফলাফলে প্রভাব পড়তে পারে।
বিক্ষোভকে ‘নিরাপত্তার হুমকি’ হিসেবে দেখার ফল
গবেষণাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যামূলক কাঠামো হলো ‘সিকিউরিটাইজেশন অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত ও বিক্ষোভকে নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করা।
গবেষণায় বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হলেও পরে সমাজের বিভিন্ন অংশ এতে যুক্ত হয়। সে সময় সরকার বিক্ষোভকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করে, কারফিউ জারি করে, ইন্টারনেট বন্ধ করে এবং বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সামরিক বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী মোতায়েন করে।
গবেষকদের মতে, কোনো বিক্ষোভকে নাগরিক অধিকার বা রাজনৈতিক অসন্তোষের প্রকাশ হিসেবে না দেখে নিরাপত্তা সমস্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হলে ব্যতিক্রমী ও অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগকে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সহজ হয়।
এই ব্যাখ্যা অনুসারে, বিক্ষোভস্থলে মৃত্যুর কেন্দ্রীভবন, তরুণদের বেশি নিহত হওয়া এবং বুক-মাথায় গুলির উচ্চ হার—সব মিলিয়ে ন্যূনতম ও ধাপে ধাপে শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে একটি প্রাণঘাতী নিরাপত্তাকেন্দ্রিক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়।
কীভাবে ২৫৩টি মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে
গবেষণাটি বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত সংবাদের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে। তথ্য সংগ্রহে প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, মানবজমিন ও নয়া দিগন্তসহ বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্র ব্যবহার করা হয়।
গবেষকেরা ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রকাশিত ১ হাজার ১০৩টি সংবাদ প্রতিবেদন প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন। এর মধ্যে ৪৫৯টি প্রতিবেদনে মৃত্যুর বিবরণ পাওয়া যায়।
পুনরাবৃত্ত প্রতিবেদন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকা প্রতিবেদন বাদ দেওয়ার পর ২৬১টি সংবাদ নির্বাচন করা হয়। পরে পর্যালোচনা ও যাচাই শেষে চূড়ান্তভাবে ২৫৩টি মৃত্যুর ঘটনা গবেষণার ডেটাসেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে নিহতের বয়স, মৃত্যুর কারণ, কোথায় গুলি করা হয়েছিল, শরীরের কোন অংশে আঘাত লেগেছিল, ঘটনাস্থলে নাকি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে এবং কোন বিভাগে ঘটনা ঘটেছে—এসব তথ্য কোড করা হয়।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে তথ্যের পার্থক্য পাওয়া গেলে গবেষকেরা বিস্তারিত বিবরণ থাকা প্রতিবেদন অথবা একাধিক সংবাদমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বিবরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। অস্পষ্ট ঘটনাগুলো গবেষক দলের আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
নাম, বয়স, স্থান ও ঘটনার তারিখ মিলিয়ে একই ব্যক্তির তথ্য একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত হওয়া ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়। সম্ভব হলে নাম, স্থান, তারিখ ও ঘটনার বিবরণ অন্তত দুটি সংবাদমাধ্যমে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। যেসব ঘটনায় প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি ছিল বা পরস্পরবিরোধী তথ্যের সমাধান করা যায়নি, সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমনির্ভর গবেষণার সীমাবদ্ধতা
গবেষণাটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ওপর নির্ভর করায় এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
গবেষকদের মতে, দৃশ্যমান ও শহরকেন্দ্রিক ঘটনা সংবাদমাধ্যমে বেশি স্থান পাওয়ায় ঢাকার মতো এলাকায় সংঘটিত মৃত্যু ডেটাসেটে অতিরিক্তভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। বিপরীতে, গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার কিছু মৃত্যুর ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত না হওয়ায় সেগুলো বাদ পড়ে থাকতে পারে।
রাজনৈতিক চাপের সময় সেন্সরশিপ বা আত্মনিয়ন্ত্রণের কারণে সংবাদ প্রকাশে বিলম্ব হতে পারে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে প্রাণঘাতী গুলি ও পেলেটের আঘাত অথবা বিক্ষোভস্থল ও আবাসিক এলাকার ঘটনাকে ভুল শ্রেণিতে রাখার সম্ভাবনাও ছিল।
একাধিক সূত্রে তথ্য যাচাই, পরস্পরবিরোধী ঘটনা বাদ দেওয়া এবং সংবেদনশীলতা পরীক্ষা করা হলেও গ্রামীণ মৃত্যুর অসম্পূর্ণ হিসাব, আঘাতের স্থান ভুলভাবে শ্রেণিবদ্ধ হওয়া এবং ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট অনুপস্থিত থাকার ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে গবেষকেরা স্বীকার করেছেন।
গবেষণার সময় আনুষ্ঠানিকভাবে একাধিক কোডারের ফলাফলের সামঞ্জস্য পরীক্ষা করা হয়নি। গবেষকেরা একটি নির্দিষ্ট কোডবুক ব্যবহার এবং আলোচনার মাধ্যমে অস্পষ্টতা সমাধান করলেও কোডিংয়ের পুনরুৎপাদনযোগ্যতা পরিসংখ্যানগতভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। পরবর্তী সময়ে ১০ শতাংশ ঘটনা দ্বিতীয় একজন কোডারের মাধ্যমে পুনরায় যাচাই করার পরিকল্পনা গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।