Coordinated Online Campaign Targets Netra News After Investigation into BGB Chief

8 October 2026

২ অক্টোবর অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম নেত্র নিউজ ‘জেনারেলের দায়মুক্তি’ শিরোনামে ২৩ মিনিটের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়, “শেখ হাসিনার নির্দেশ ও মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর অধিনায়কত্বে জুলাই হত্যাযজ্ঞে অংশ নেয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি।”

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর বিভিন্ন ফেসবুক পেইজ থেকে নেত্র নিউজের সাংবাদিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে অনলাইনে ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে।

ক্যাম্পেইন চালানো কয়েকটি পেজ হলো ‘বিজিবি’র আলো’, ‘ফুলবাড়ীর সীমান্তকথা’, ‘সীমান্ত রেখা’, ‘BGB Lover 2.O’, ‘সীমান্ত সেনা’ ও ‘Military Power’। এসব পেজ থেকে নিয়মিত বিজিবির সমর্থনে পোস্ট এবং বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে প্রচারণা চালানো হয়।

মূলত নেত্রনিউজ এর প্রতিবেদনের সমালোচনা করে একটি ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সেটি এইসব পেইজে প্রকাশ করা হয়েছে।

ভিডিওর শুরুতে বলা হয়েছে, “সাব্বাস নেত্র নিউজ, অনুসন্ধানে সাংবাদিকতা কি এতই সহজ?” এরপর তিনটি স্থিরচিত্রের সঙ্গে নাটকীয় বর্ণনা জুড়ে সেগুলোকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগ করা হয়।

ভিডিওতে নেত্র নিউজের প্রতিবেদনের ৯ মিনিট ৪০ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিটের অংশ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেখানে মহাপরিচালক ও একজন ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের কথোপকথনের তিনটি স্থিরচিত্র দেখানোর কথা উল্লেখ করে জানতে চাওয়া হয়, ছবিগুলো গোপন নির্দেশ দেওয়ার প্রমাণ কিনা।

ওই ঘটনাকে স্বাভাবিক পরিদর্শন ও ব্রিফিং হিসেবে ব্যাখ্যা করে ভিডিওতে বলা হয়েছে, “মহাপরিচালকের পরিদর্শনে মাঠ পর্যায়ের ইউনিট অধিনায়কের কাছ থেকে ব্রিফ নেয়া যেকোনো সুশৃঙ্খল বাহিনীর স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।” অন্য বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকদের উপস্থিতির কথা তুলে ধরে দাবি করা হয়, এটি গোপন বৈঠক ছিল না।”

নির্দেশের অডিও, লিখিত আদেশ ও প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের প্রশ্ন তুলে ভিডিওর শেষে বলা হয়, “প্রতিবেদনে এর কোনটিই নেই, আছে অনুমান। অথচ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রমাণের পিছে ছোটে।” এগুলো পাল্টা ভিডিওটির দাবি; নেত্র নিউজের পূর্ণ প্রতিবেদন ও তার প্রমাণ পরীক্ষা ছাড়া দাবিগুলোর যথার্থতা নির্ধারণ করা যায় না।”

ভিডিওর লিংক: বিজিবি’র আলো, ফুলবাড়ীর সীমান্তকথা, সীমান্ত রেখা, BGB Lover 2.O, সীমান্ত সেনা।

এই পেইজগুলো বিজিবির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় কিনা জানতে চাইলে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম দ্য ডিসেন্টকে বলেন, “বিজিবির অফিশিয়াল ফেসবুক ছাড়া বিজিবির আর কোনো ফেসবুক পেইজ নেই। আপনি যেই পেইজ গুলোর কথা বলছেন এইগুলো সম্পর্কে আমি জানিনা।”

 

সংঘবদ্ধ ক্যাম্পেইন

২ অক্টোবর নেত্র নিউজের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে ২৩ মিনিটের দীর্ঘ প্রতিবেদনটির লিংক শেয়ার করা হয় এবং আরেকটি পোস্টে ২.৪৮ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

Border Guard Bangladesh (বিজিবি) ২ অক্টোবর নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দেয়। এছাড়াও, Military Power নামে একটি ফেসবুক পেজেও নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দেয়।

পরদিন ৩ অক্টোবর July Revolutionary Alliance - JRA এর ফেসবুক পেজে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহতযোদ্ধা ফারাহাত সাজেদের একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সম্বলিত একটি লেখা প্রকাশ করা হয় যেখানে তিনি ০৪ আগস্ট ২০২৪ ঢাকার সায়েন্সল্যাব এলাকায় সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর বিজিবি সদস্যরা তাকে কিভাবে সহায়তা করেন তার বর্ণনা দেন।

নেত্র নিউজের দুটি পোস্ট, Military Power ও JRA-এর পোস্ট থেকে ফেসবুকের ‘মোস্ট রিলেভ্যান্ট’ হিসেবে দেখানো ৬৬৭টি মন্তব্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করেছে দ্য ডিসেন্ট।

দ্য ডিসেন্টের বিশ্লেষণে এ দেখা যায়, বিজিবি ও এর মহাপরিচালককে নিয়ে নেত্র নিউজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেসবুকের একাধিক পোস্টে হুবহু একই মন্তব্য পাওয়া গেছে। এসব মন্তব্যে বাহিনীটি ও মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি, নেত্র নিউজের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

একই লেখা শুধু একটি পোস্টে বারবার আসেনি। ভিন্ন পেজের পোস্টেও সেই লেখা পাওয়া গেছে। কখনো একই আইডি একাধিক পোস্টে একই মন্তব্য করেছে, কখনো ভিন্ন আইডি ব্যবহার করেছে অভিন্ন লেখা।

চারটি ফেসবুক পোস্টের ৬৬৭টি কমেন্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২৭৪টি মন্তব্যে বিজিবির মহাপরিচালকের সমর্থন বা প্রশংসা করা হয়েছে, যা মোট মন্তব্যের প্রায় ৪১ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে ২৪০টি মন্তব্যে নেত্র নিউজের সমালোচনা বা সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা মোট মন্তব্যের প্রায় ৩৬ শতাংশ। এর মধ্যে ১০৯টি মন্তব্যে একই সঙ্গে মহাপরিচালকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং নেত্র নিউজের সমালোচনা করা হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪৭টি একই রকম দীর্ঘ কমেন্ট ৪টি পোস্টে ১১৭ বার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫৪টি কমেন্ট অন্তত দুবার করে হুবহু পোস্ট করা হয়েছে। কমেন্টগুলোতে দীর্ঘ লেখা, একই বানানভুল, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার অভিন্ন বর্ণনা এবং একাধিক পোস্টে একই আইডির উপস্থিতি—সব মিলিয়ে একটি অভিন্ন বক্তব্য বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানোর নজির পাওয়া যায়।

সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত দুটি কমেন্টের মধ্যে বিজিবি মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও বাহিনীর আধুনিকায়নের প্রশংসাসূচক লেখাটি JRA পেজের পোস্টে ছয়বার পাওয়া গেছে। আর তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের নিন্দা জানানো লেখাটি নেত্র নিউজের দ্বিতীয় পোস্টে ছয়বার এসেছে। দুটি লেখাই ছয়টি করে ভিন্ন আইডি থেকে এসেছে। তৃতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত কমেন্টটি মহাপরিচালকের সততা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে সংবাদটিকে দেশের জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছে; এটি পাঁচটি ভিন্ন আইডি থেকে পাঁচবার পাওয়া গেছে। কোনো ক্ষেত্রে পুরো লেখা হুবহু কপি করা হয়েছে; কোথাও একই বক্তব্যের অংশ রেখে বাক্য যোগ বা বাদ দেওয়া হয়েছে। একই লেখা ভিন্ন পেজের পোস্টেও পাওয়া গেছে। একই আইডি একাধিক পোস্টে অভিন্ন মন্তব্য করেছে, আবার ভিন্ন আইডিও সেই লেখা ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি, নিয়মিত বিজিবির সমর্থনে প্রচারণা চালানো ছয়টি পেজ থেকে নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে একই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

একই কমেন্ট একাধিক পোস্টে

নেত্র নিউজের দুটি পোস্টে Molla Choton নামের একই আইডি থেকে একটি দীর্ঘ মন্তব্য এসেছে। লেখাটি শুরু হয়েছে, “এসব বানোয়াট ফেইক নিউজ পাবলিক এখন আর খায়না।”

এরপর মহাপরিচালককে বিজিবির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধান বলা হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত গুণের প্রশংসা করে অভিযোগ করা হয়েছে, নেত্র নিউজ তাঁকে হেয় করা এবং বাহিনীকে ছোট করার উদ্দেশ্যে প্রতিবেদন করেছে।

দুটি মন্তব্যের পুরো লেখা ও আইডির শনাক্তকারী নম্বর, অর্থাৎ UserId, অভিন্ন। একই লেখা Mahbub Khan নামের আরেকটি আইডি থেকেও এসেছে।

দেখুন: Molla Choton—একটি পোস্টে, অন্য পোস্টে, Mahbub Khan।

Rudra Kundu নামের আইডি থেকেও JRA ও নেত্র নিউজের পোস্টে একই দীর্ঘ মন্তব্য পাওয়া গেছে। এতে দাবি করা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মহাপরিচালকের নির্দেশনায় বিজিবি জনগণের পক্ষে দায়িত্ব পালন করেছে।

এই আইডি থেকে তিনটি পোস্টে মোট চারটি মন্তব্য এসেছে।

দেখুন: JRA পোস্টে Rudra Kundu, নেত্র নিউজের পোস্টে।

মহাপরিচালকের সততা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে লেখা আরেকটি দীর্ঘ মন্তব্যে প্রতিবেদন প্রকাশকারীকে দেশের জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

অভিন্ন লেখাটি Military Power-এর পোস্টে Abu Sayed, Ojoy Shorkar ও নিশাদ নাজিম এবং নেত্র নিউজের পোস্টে Sumon Kumar ও Md Rezaul Karim নামের আইডি থেকে এসেছে।

দেখুন: Abu Sayed, Ojoy Shorkar, নিশাদ নাজিম, Sumon Kumar, Md Rezaul Karim।

পেজগুলোর নিজস্ব আইডি বাদ দিয়ে চারটি পোস্টের নমুনায় মোট ১৭টি আইডি একাধিক পোস্টে মন্তব্য করেছে। এসব আইডি থেকে এসেছে ৩৭টি মন্তব্য। তবে একাধিক পোস্টে অংশ নেওয়া সব আইডিকে একই প্রচারের অংশ হিসেবে ধরা হয়নি।

সব মিলিয়ে ছয়টি আলাদা পূর্ণ লেখা দুটি করে পোস্টে পাওয়া গেছে, মোট ১৭টি মন্তব্যে। কোনো হুবহু একই পূর্ণ লেখা চারটি পোস্টেই পাওয়া যায়নি।

একই লেখার সঙ্গে নতুন বক্তব্য

পুরোপুরি অভিন্ন লেখার বাইরেও কাছাকাছি ধরনের ৬৫টি মন্তব্য পাওয়া গেছে। কোথাও শব্দ বদলানো হয়েছে, কোথাও ইমোজি। আবার দীর্ঘ একটি লেখার বড় অংশ অপরিবর্তিত রেখে তার শুরু বা শেষে নতুন বক্তব্য যোগ করা হয়েছে।

একটি মন্তব্যে নেত্র নিউজের ভিডিওতে বেছে বেছে তথ্য দেখানোর অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিজিবির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টির ব্যাখ্যা রয়েছে।

Tanvir Ahmed ও Hanif Mohammed Hanif নামের দুটি আইডির মন্তব্যে পুরো লেখাটি একই।

মেগলা আকাশ মেগলা আকাশ নামের আরেকটি আইডি সেই লেখা ব্যবহার করেছে। তবে শেষে মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত খরচে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের খাবার ও পানি দেওয়ার দাবি যোগ করা হয়েছে।

দেখুন: Tanvir Ahmed, Hanif Mohammed Hanif, মেগলা আকাশ মেগলা আকাশ।

বানানের ভুলও কপি করা হয়েছে

JRA-এর পোস্টে মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, জনবল বৃদ্ধি ও বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে দীর্ঘ লেখাটি ছয়টি আইডি থেকে এসেছে।

লেখাগুলোর অনুচ্ছেদের ক্রম, তথ্যের তালিকা ও শব্দচয়ন অভিন্ন। এমনকি “নতুন প রিচালক” বলে একটি শব্দ অস্বাভাবিকভাবে ভেঙে লেখার ধরনও ছয়টি মন্তব্যে রয়েছে।

আইডিগুলো হলো Siam Ahmed, Md Masum Rana, MD Tufazzal Hossain, Kåwsâr Āhàmëd Jøy, Abu Bakar Siddique ও Ziaul Hoque।

নেত্র নিউজের একটি পোস্টে ছয়টি ভিন্ন আইডি থেকে আরেকটি অভিন্ন মন্তব্য এসেছে: “বিজিবি বাহিনীর প্রধানকে নিয়ে নতুন ভাবে হয়রানি মূলক এবং আক্রশমূলক নিউজের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

এখানে “আক্রশমূলক” বানানটিও একই। পুরো নমুনায় শব্দটি ১৪টি ভিন্ন আইডির ১৪টি মন্তব্যে পাওয়া গেছে।

দেখুন: মাহিরা জাহান, রুমাইয়া ইসলাম তামান্না।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বর্ণনাও এক

কিছু মন্তব্যে লেখক নিজেকে বিজিবির সদস্য কিংবা জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সেই বর্ণনাও একাধিক আইডিতে হুবহু পাওয়া গেছে।

JRA-এর পোস্টে Sumon Islam Raj ও Mizanur Rahman নামের দুটি আইডি একই লেখা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “আমার ইউনিফর্ম আমার অহংকার, আমার দায়িত্ব আমার গর্ব।”

দুজনের অভিন্ন লেখাতেই নিজেকে বিজিবির একজন গর্বিত সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। তাঁদের পরিচয় বা বাহিনীর সদস্য হওয়ার দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

দেখুন: Sumon Islam Raj, Mizanur Rahman।

Fahim Ahmed ও Malek Mahmud নামের দুটি আইডি থেকে আরেকটি অভিন্ন দীর্ঘ লেখা এসেছে। এতে আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার, বিজিবি হাসপাতালে চিকিৎসা এবং পরীক্ষার বিল বাবদ পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার দাবি করা হয়েছে।

দুজনের লেখাতেই রয়েছে “জুলাই ছাত্র আন্দোলনের আহত পরিবার হিসাবে” এবং “আমার নিজের চোখে দেখা” কথাগুলো।

দেখুন: Fahim Ahmed, Malek Mahmud।